
১৩৭ বলে ১৭৯ রানের ইনিংস। উদ্বোধনী জুটিতে ৩৬৫ রানের বিশ্বরেকর্ড। সবশেষ ওয়ানডেতে এমন স্বপ্নময় পারফরম্যান্স ছিল জন ক্যাম্পবেলের। তবে সেই ম্যাচটি ছিল ২০১৯ সালের মে মাসে! অবিশ্বাস্যভাবে সেই ম্যাচের পর আর কোনো ওয়ানডে খেলতে পারেননি তিনি। অবশেষে আবার এই সংস্করণে ম্যাচ খেলার হাতছানি বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের সামনে।
নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের ওয়েস্ট ইন্ডিজ স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন ক্যাম্পবেল। দলে পরিবর্তন আছে আরও কিছু। তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বদল তার ফেরাই।
২০১৯ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ওই ইনিংস খেলার পর চোটের কারণে তিনি ছিটকে পড়েন। মূল ক্রিকেটাররা ফেরায় সেবার বিশ্বকাপ স্কোয়াডেও তার জায়গা হয়নি। এরপর অন্যান্য সংস্করণে খেললেও আর ওয়ানডে খেলার সুযোগই পাননি। অন্য সংস্করণেও বাদ পড়ে আবার দলে ফিরেছেন। গত মাসে ভারত সফরে দিল্লি টেস্টে দারুণ একটি সেঞ্চুরি করেছেন, ২৫ টেস্টের ক্যারিয়ারে যা তার প্রথম সেঞ্চুরি। ৩২ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান এবার ফিরলেন ওয়ানডেতে।
টেস্টের পারফরম্যান্স তো আছেই, ওয়ানডে দলে ফিরতে বড় ভূমিকা রেখেছে তার ঘরোয়া ক্রিকেটের পারফরম্যান্সও। ঘরোয়া একদিনের ম্যাচের আসরে জ্যামাইকার হয়ে ২৭৭ রান করেছেন তিনি ১০২ স্ট্রাইক রেটে।
ক্যাম্পবেলকে জায়গা দিতে বাদ পড়েছেন ব্র্যান্ডন কিং। সবশেষ বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের দল থেকে বাদ পড়েছেন দুই বাঁহাতি স্পিনার আকিল হোসেন, গুডাকেশ মোটি ও বাঁহাতি পেসার র্যামন সিমন্ডসও। প্রথমবার ওয়ানডে দলে ডাক পেয়েছেন পেসার জোহান লেইন ও পেস বোলিং অলরাউন্ডার শামার স্প্রিঙ্গার। লেইন একটি টেস্ট খেলেছেন এখনও পর্যন্ত, স্প্রিঙ্গার খেলেছেন ৫টি টি-টোয়েন্টি। দলে পেসার ফিরেছেন ম্যাথু ফোর্ড।
চোটের কারণে এখনও মাঠের বাইরে তিন পেসার আলজারি জোসেফ, শামার জোসেফ ও জেডিয়াহ ব্লেডস।
ক্রাইস্টচার্চের ম্যাচ দিয়ে রোববার শুরু তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। পরের দুই ম্যাচ নেপিয়ার ও হ্যামিল্টনে। টি-টোয়েন্টি সিরিজে কিউইরা জিতেছে ৩-১ ব্যবধানে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল: শেই হোপ (অধিনায়ক), আলিক আথানেজ, আকিম ওগিস, জন ক্যাম্পবেল, কেসি কার্টি, রোস্টন চেইস, ম্যাথু ফোর্ড, জাস্টিন গ্রেভস, আমির জাঙ্গু, জোহান লেইন, খ্যারি পিয়ের, শেরফেন রাদারফোর্ড, জেডেন সিলস, রোমারিও শেফার্ড, শামার স্প্রিঙ্গার।
আপনার মতামত লিখুন :